সোমবার , নভেম্বর ২০ ২০১৭ | ৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
Breaking News
Home / Uncategorized / এমপিদের প্রভাব ও টাকা নিয়েই উদ্বেগ

এমপিদের প্রভাব ও টাকা নিয়েই উদ্বেগ

দেশের ৫৯ জেলায় আজ বুধবার হতে যাচ্ছে দেশের প্রথম জেলা পরিষদ নির্বাচন। চেয়ারম্যান ও সদস্যপদে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভোটগ্রহণ চলবে। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা ও সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা এই নির্বাচনে ভোট দেবেন। পরোক্ষ পদ্ধতির এই নির্বাচনেও ভোটারদের ওপর নানাভাবে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা, টাকা দিয়ে

ভোট কেনাবেচা এবং ভয় দেখানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব নিয়ে নির্বাচন কমিশনও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ৬১টি জেলা পরিষদে ভোট হওয়ার কথা থাকলেও ফেনী ও ভোলায় এরই মধ্যে সব পদের প্রার্থীই ভোট ছাড়া বিজয় নিশ্চিত করে ফেলেছেন।

নির্বাচন কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ গতকাল মঙ্গলবার জানিয়েছেন, অনিয়মের যত অভিযোগ তার বেশিরভাগই স্থানীয় সংসদ সদস্যদের বিরুদ্ধে। ভোটের দিন সংসদ সদস্যরা যাতে নির্বাচনী এলাকায় অবস্থান না করেন, সেটা নিশ্চিত করতে জাতীয় সংসদের স্পিকারের হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রী ও সাংসদদের নিজ নিজ এলাকা ত্যাগ করতে ই-মেইল করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার বিষয়ে গত সোমবার স্পিকারকে চিঠি দেয় নির্বাচন কমিশন। ওই চিঠি আমলে নিয়ে গতকাল স্পিকারের কার্যালয় থেকে ই-মেইল করা হয়। সাংসদদের মোবাইল ফোনে বার্তা পাঠিয়ে ই-মেইল চেক করার জন্যও বলা হয়েছে। সংসদ সচিবালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এদিকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোনো দল এই নির্বাচনে কোনো প্রার্থীকে সমর্থন দেয়নি। তবে ৬১ জেলার মধ্যে চেয়ারম্যান পদে অন্তত ৩৩টিতে ক্ষমতাসীন দলের ৫৩ বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। এসব প্রার্থীকে ঘিরেই নির্বাচনে নানা অঘটনের আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ ছাড়া চেয়ারম্যান পদে বিএনপির দু’জন, গণফোরামের একজন, জাতীয় পার্টির (জেপি) তিনজন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) তিনজন, জাতীয় পার্টির (এরশাদ) একজন এবং দলীয় পরিচয় নেই এমন আটজন প্রার্থী হয়েছেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের গতকাল বলেছেন, জেলা পরিষদ নির্বাচনে টাকা ছড়ানোর যে অভিযোগ উঠেছে, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এ নির্বাচনকে সরকারের রসিকতা বলে মন্তব্য করেছেন।

ইসি কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ জানিয়েছেন, এই নির্বাচনে প্রকাশ্যে ভোট দিতে বাধ্য করার চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাই পরিস্থিতি বিবেচনায় ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোনসহ যে কোনো ধরনের ডিভাইস নিয়ে প্রবেশের বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। পর্যাপ্ত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের কথা জানিয়ে ইসি সচিব বলেন, সংখ্যালঘু ভোটারদের নিরাপত্তা ও সুষ্ঠুভাবে ভোট সম্পন্ন করার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করে মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৃথক আরেকটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।

ইসি-সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ভোটের আগের দিন গতকালও ইসি কার্যালয়ে অনেক অভিযোগ জমা পড়েছে। কেউ কেউ লিখিত, আবার কেউ কমিশন কার্যালয়ে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হয়ে অভিযোগ করেছেন। কয়েকটি এলাকার স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সংসদ সদস্যদের প্রভাব বিস্তার করা নিয়ে তাদের উদ্বেগের কথা টেলিফোনে কমিশনকে জানিয়েছেন। পিরোজপুরের আওয়ামী লীগদলীয় সংসদ সদস্য এ কে এম আবদুল আউয়াল ও ময়মনসিংহের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ফাহমি গোলন্দাজ বাবেলের বিরুদ্ধে নির্বাচনী এলাকায় অবস্থান করে ভোটারদের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অনেক স্থানে ভোটারদের বাগে আনতে না পেরে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখার অভিযোগও মিলেছে।

সুনামগঞ্জে চেয়ারম্যান পদের প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থী আওয়ামী লীগ সমর্থিত ব্যারিস্টার এম. এনামুল কবীর ইমন ও বিদ্রোহী প্রার্থী নূরুল হুদা মুকুট পরস্পরের বিরুদ্ধে টাকা ছড়িয়ে ভোট কেনার অভিযোগ এনেছেন। ইমন বলেছেন, ‘কালো টাকা ও দুর্বৃত্তায়নের মাধ্যমে ভয়-ভীতি দেখিয়ে ভোট আদায়ের অপচেষ্টা চলছে।’ মুকুটের পাল্টা জবাব হচ্ছে, ‘ব্যারিস্টার ইমন টাকা ছড়াচ্ছেন। সংসদ সদস্যরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করে তার পক্ষে প্রচারে নেমেছেন।’ গতকাল বিকেলে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে টাকা, পোস্টার ও এজেন্টের ফরমসহ এক সদস্য প্রার্থীর সমর্থককে আটক করেছে পুলিশ। সুরমা নদীর খেয়াঘাট থেকে মোমিন মিয়া (৩০) নামের ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে আড়াই লাখ টাকা ও এজেন্টের কিছু ফরম উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

রাজশাহীতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মাহবুব জামান ভুলু অভিযোগ করেছেন, তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মোহাম্মদ আলী সরকার ১৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে ভোট কিনছেন। অভিযোগ অস্বীকার করে মোহাম্মদ আলী বলেছেন, জেলার তিন এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী, আয়েন উদ্দিন ও কাজী আবদুল ওয়াদুদ দারা আচরণবিধি লঙ্ঘন করে সরকারদলীয় প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচন প্রভাবিত করছেন। এ নিয়ে জেলা নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করেও ফল হয়নি।

পাবনায় বিদ্রোহী প্রার্থী ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফের মেয়ে মেহজাবিন শিরিন পিয়ার অভিযোগ করেন, সদর আসনের এমপি গোলাম ফারুক প্রিন্স প্রভাব খাটিয়ে আওয়ামী লীগ সমর্থিত রেজাউল রহিম লালের পক্ষে ভোট চাইছেন। ভোটারদের হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে। আরেক বিদ্রোহী প্রার্থী কামিল হোসেন অভিযোগ করেন, সরকারি ডাকবাংলো ও উপজেলা পরিষদের গাড়ি ব্যবহার করে সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাইছেন। তবে রেজাউর রহিম লাল বলেন, ‘আচরণবিধি ভঙ্গের কোনো ঘটনা ঘটেনি।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জের আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মইনুদ্দীন মণ্ডলের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা ও জেলা চেম্বার সভাপতি আবদুল ওয়াহেদ। তার অভিযোগ, ‘সরকারি দলের প্রার্থী মইনুদ্দীনের পক্ষে নাচোল উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল কাদের ভোটারদের ওপর চাপ প্রয়োগ করছেন। ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন।’ মইনুদ্দীন মণ্ডলের দাবি, ‘সব অভিযোগ মনগড়া।’

নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ডা. এবিএম জাফর উল্লাহকে জেতাতে স্থানীয় এমপিদের সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ডা. একেএম জাফর উল্লাহ। এসব এমপি ভোটারদের প্রকাশ্য ভোট দিতে চাপ প্রয়োগ করছেন এবং হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন বলেও তার অভিযোগ।

চট্টগ্রামের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী মৌলভী নূর হোসেনের অভিযোগ, স্থানীয় এমপি মোস্তাফিজুর রহমান তার পছন্দের সদস্য প্রার্থী আবদুল গফুরের পক্ষে ভোট দিতে বাঁশখালী উপজেলার প্রায় ১১০ জন ইউপি সদস্য ও চেয়ারম্যানকে তার বাড়িতে ডেকে সবার হাতে পাঁচ হাজার টাকা করে তুলে দিয়েছেন। এমপি মোস্তাফিজুর রহমান অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, ‘এসব ফালতু ও মিথ্যা কথা।’

বগুড়ায় বিদ্রোহী প্রার্থী সোলাইমান আলীর বিরুদ্ধে টাকা দিয়ে ভোট কেনার অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী ডা. মকবুল হোসেন। আর জাতীয় পার্টি (জেপি) প্রার্থী আমিনুল ইসলাম পিন্টুর অভিযোগ, বগুড়া-১ আসনের এমপি আবদুল মান্নান ইউপি সদস্যদের দলীয় প্রার্থী ডা. মকবুল হোসেনকে প্রকাশ্যে ভোট দিতে বলেছেন।

বরগুনার সদস্য প্রার্থী এম এ খালেক লিখিত অভিযোগ করেছেন, তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নুরুল আমিন ভোটারদের প্রায় ৫০ হাজার টাকা করে দিয়ে ভোট কিনছেন। যেসব ভোটার টাকা নিতে রাজি হননি তাদের জোর করে মাইক্রোবাসে তুলে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখেছেন। নুরুল আমিনের পাল্টা অভিযোগ, এম এ খালেক প্রত্যেক ভোটারকে ৩০ হাজার টাকা করে দিয়েছেন। এমনকি তার বাড়িতে চরদোয়ানী ও সদর ইউনিয়নের এক ডজন ভোটারকে আটকে রেখেছেন।

পিরোজপুরে আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী অধ্যক্ষ শাহ আলম গতকাল স্থানীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ করেছেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মহিউদ্দিন মহারাজ ভোটারদের টাকা ও উপঢৌকন দিয়ে ও ভূরিভোজ করিয়ে তার পক্ষে নিচ্ছেন। পিরোজপুর-১ আসনের সাংসদ একেএম আউয়ালের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ করেছেন তিনি। অভিযোগ অস্বীকার করে মহিউদ্দিন মহারাজ পাল্টা অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, অধ্যক্ষ শাহ আলম ভোটারদের ২০ হাজার করে টাকা দিচ্ছেন এবং প্রকাশ্যে হুমকিও দিচ্ছেন।

বরিশালে বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী খান আলতাফ হোসেনের অভিযোগ, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানরা ভোটারদের প্রকাশ্যে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। এখানেও সদস্য প্রার্থীদের বিরুদ্ধে টাকা দিয়ে ভোট কেনার অভিযোগ উঠেছে। বানারীপাড়ার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত আওরঙ্গজেব মাহবুবের বিরুদ্ধে মোটা টাকার বিনিময়ে ভোট কেনার অভিযোগ তুলেছেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লা। তিনি আরও অভিযোগ করেন, আওরঙ্গজেব মাহবুবের সমর্থকরা কেন্দ্রে সন্ত্রাস সৃষ্টি করে ভোট বানচালের অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন।

ইসি কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, দেশে প্রথমবারের মতো এ নির্বাচনের ভোটার সংখ্যা মাত্র ৬৩ হাজার ১৪৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৪৮ হাজার ৩৪৩ এবং নারী ভোটার ১৪ হাজার ৮০০ জন। একজন চেয়ারম্যান, পাঁচজন সংরক্ষিত সদস্য এবং ১৫ জন সাধারণ সদস্য নিয়ে জেলা পরিষদ গঠিত হবে। পার্বত্য তিন জেলা বাদে দেশের বাকি ৬১ জেলায় নতুন পরিষদ গঠন করবেন আজকের ভোটের নির্বাচিতরা। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ভোটার চট্টগ্রাম জেলায় দুই হাজার ৭০৬ এবং সর্বনিম্ন ভোটার মেহেরপুরে ২৬৯ জন।

এই নির্বাচনে মোট প্রার্থীর সংখ্যা তিন হাজার ৯৩৮ জন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন ১৪৬, সংরক্ষিত সদস্য পদে ৮০৬ এবং সাধারণ সদস্য পদে দুই হাজার ৯৮৬ জন লড়াই করছেন। ৬১টি জেলা পরিষদের ২১টিতে এরই মধ্যে চেয়ারম্যান পদের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন। এ ছাড়াও সংরক্ষিত সদস্য ৬৯ এবং সাধারণ সদস্য ১৬৬ জন ভোটের আগেই বিজয় নিশ্চিত করেছেন। অন্যদিকে কুষ্টিয়া জেলার চেয়ারম্যান পদের নির্বাচন আদালতের আদেশে স্থগিত করা হয়েছে।

এ নির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৯১৫টি। প্রতিটি কেন্দ্রের জন্য একটি মোবাইল টিম এবং র‌্যাবের একটি মোবাইল টিম কাজ করবে। এ ছাড়াও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় ৬১ জেলায় মোট ৯১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে।

ঢাকার ১৫ কেন্দ্র :চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় ঢাকা জেলায় ১৫টি সাধারণ ওয়ার্ড ও পাঁচটি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে আজ ভোট নেওয়া হচ্ছে। এখানে মোট ভোটার এক হাজার ১৭৬ জন। ঢাকার ১৫টি কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, আগারগাঁও তালতলা সরকারি কলোনি উচ্চ বিদ্যালয় ও মহিলা কলেজ, ভাটারার ছোলমাইদ উচ্চ বিদ্যালয়, আজিমপুর গভর্নমেন্ট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল, এ কে স্কুল অ্যান্ড কলেজ (দনিয়া), কুশড়া আব্বাস আলী উচ্চ বিদ্যালয়-ধামরাই, উপজেলা পরিষদ হলরুম (নিচতলা)-ধামরাই, ডেণ্ডাবর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-সাভার, উপজেলা পরিষদ হলরুম সাভার, চুনকুটিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (কেরানীগঞ্জ), কোনাখোলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (কেরানীগঞ্জ), নবাবগঞ্জের আগলা চৌকিঘাটা জনমঙ্গল উচ্চ বিদ্যালয়, নবাবগঞ্জের পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এবং জয়পাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় (দোহার)।

যন্ত্রচালিত যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা :পরোক্ষ ভোট হলেও ভোটের আগের দিন মধ্যরাত থেকে ভোটের দিন রাত ১২টা পর্যন্ত কেন্দ্রের আশপাশে যান্ত্রিক যানবাহন বা নৌযান চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। ভোটের তিন দিন আগের মধ্যরাত থেকে ভোটের পরের দিন সকাল ৬টা পর্যন্ত কেন্দ্রের আশপাশে মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞাও আরোপিত রয়েছে।

ইসি সচিবের ব্রিফিং :জেলা পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে গতকাল নিজ কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং করেছেন ইসি সচিব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ। তিনি জানান, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ব্যতিক্রমী কিছু সিদ্ধান্ত নিতে কমিশন বাধ্য হয়েছে। কোনো ভোটার কেন্দ্রের মধ্যে মোবাইল ফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস অর্থাৎ স্ক্যান করা যায় এমন কিছু নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না। ভোটকেন্দ্রের গোপনীয়তা অক্ষুণ্ন রাখতেই এই নির্দেশ এবার কঠোরভাবে পালন করা হবে। কমিশনের কাছে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রভাব বিস্তার ও উন্মুক্ত ভোট দেওয়ার বিষয়ে ইসি সচিব আরও বলেন, ভোটের সর্বজনীন রীতি হচ্ছে গোপনীয়তা। আইনেও ভোটের গোপনীয়তা রক্ষার কথা বলা হয়েছে। গোপনীয়তা ভঙ্গ শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কেউ এটা করলে তাকে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। আর গোপনীয়তার সঙ্গে ভোটারদের নিরাপত্তার প্রশ্নও জড়িত। গোপনীয়তা ভঙ্গ হলে ভোটারের নিরাপত্তা বিঘি্নত হতে পারে। এ ব্যাপারে ইসি কঠোর অবস্থানে থাকবে।

THE BREAKDOWN

DESIGN - 9.2
DISPLAY - 8.6
RECEPTION / CALL QUALITY - 9.1
PERFORMANCE - 8.9
SOFTWARE - 8.6
BATTERY LIFE - 9.4
ECOSYSTEM - 8.2

8.9

Love it

You don't believe in the Force, do you? Obi-Wan is here. The Force is with him. I call it luck. Look, I can take you as far as Anchorhead.

User Rating: 3.15 ( 5 votes)

About Shishir

Check Also

মাহে রমজান :

মাহে রমজান : ************** রোজা ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের গুরুত্বপূর্ণ একটি। রমজানের রোজা রাখার শুরুর প্রথম …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *